কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৭ এপ্রিল ২০১৯

চলমান প্রকল্পসমূহ

 

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ডিএই’র চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের তথ্য

ক্র.

নং

প্রকল্পের নাম ও 

বাসত্মবায়নকারী সংস্থা

প্রকল্পের মোট প্রক্কলিত ব্যয় (লক্ষ টাকা) ও মেয়াদ

 

প্রকল্প পরিচালকের নাম, টিলিফোন, ও মোবাইল নম্বর

প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য

প্রকল্প এলাকা প্রধান কার্যাবলী

ন্যশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রোগ্রাম -২য় পর্যায় (এনএটিপি-২)

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৫২৬৫৫.০০

(অক্টোবর/১৫-সেপ্টেম্বর/২১)

 

ড. রতন চন্দ্র দে,

ফোনঃ ৮৮-০২-৫৮১৫৫৬১৩,

মোবাঃ ১৭১৬৬০৪৬০১

উদ্দেশ্যঃ ১) প্রধান প্রধান ফসলের উৎপাদনশীলতা ফসলভেদে ১০-১৫ ভাগ বৃদ্ধি করা; ২) সর্বমোট ২৭১৫০ টি সিআইজি দল গঠন; ৩) ৬০% সিআইজি গ্রম্নপে সদস্যদের মধ্যে কমপক্ষে ১ (এক)টি করে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করবে; ৪) প্রকল্প সেবাপ্রাপ্ত ৯৩% কৃষককে সমেত্মাষজনক সেবা প্রদান; ৫) মানসম্পন্ন ফসলের চারা/কলম উৎপাদনের জন্য হর্টিকালচার সেন্টারের উন্নয়ন; ৬) বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি ও পিপি উইঃ, ডিএই’র গবেষনাগার উন্নয়ন।

৫৭টি জেলার ২৭০টি উপজেলা

কার্যক্রম ঃ প্রশিক্ষণ, সিআইজি গঠন, পরিকল্পনা প্রণয়ন প্রদর্শনী স্থাপন, মাঠ দিবস, হর্টিকালচার সেন্টার উন্নয়ন কার্যক্রম, বীজ প্রত্যায়ন এজেন্সি ও ও পিপি উইং গবেষণাগার উন্নয়ন শক্তিশালীকরণ,  লজিষ্টিক সাপোর্ট, কৃষি যন্ত্রপাতি ও অফিস সরঞ্জাম।  

বাংলাদেশে ফাইটো সেনেটারী সামর্থ শক্তিশালীকরণ প্রকল্প, ১ম সংশোধিত

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

১৮৩২০.১৩

(জুলাই/১২-জুন/১৯

(দ্বিতীয় সংশোধিত)

 

ড. মোহাম্মদ আলী              ফোনঃ ৮৮-০২-৯১০৩৭৭৪,

মোবাঃ ০১৭১১৭০১৪৯৬

উদ্দেশ্যঃ আমদানিকৃত উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্যের সাথে পরিবাহিত হয়ে যাতে বিদেশী পোকামাকড় ও রোগবালাই প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত আমদানি নিশ্চিতকরণ এবং আমত্মর্জাতিক বিধি বিধান (IPPC এবং WTO-SPS Agreement) অনুসরণ পূর্বক বিদেশে উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীল ও বৃদ্ধি করা।

১৩টি জেলার ১৬টি কোয়ারেনটাইন ষ্টেশন

কার্যক্রমঃ কমকর্তা ও কর্মচারী প্রশিক্ষণ, কর্মশালা- ২টি, নতুন অফিস ভবন নির্মাণ, পোস্ট এন্ট্রি কোয়ারেন্টিন সেন্টার, আমত্মর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরী স্থাপন ও বালাই ঝুকি বিশেস্নষণ।

 

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে ক্ষুদ্র চাষীদের জন্য কৃষি সহায়ক প্রকল্প, ডিএই অংগ,

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৭৫১১.০০

(জুলাই/১৩-জুন/১৯), ১ম সংশোধিত

 

ড. মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, ফোনঃ ৮৮-০২-৯১৩২৫৮৪,

মোবাঃ ০১৭১৮২৯৪৪৯৮

উদ্দেশ্যঃ ১) এলাকাভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, শস্য উৎপাদন নিবিড়করণ ও বহুমূখীকরণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি; ২) সবজি বাগান ও ফল বাগান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষক পরিবারের আয় বৃদ্ধি ও অপুষ্টি দূরীকরণ; ৩) জৈব ও অজৈব সারের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করা; ৪) দলভিত্তিক সম্প্রসারণ কর্মকান্ডের মাধ্যমে কৃষকের সক্ষমতা বাড়ানো; ৫) খামার যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিক কলাকৌশলের উপর কৃষক প্রশিক্ষণ ও গ্রামীণ  বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন।

৯টি জেলার ৫৮টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ কৃষক দল গঠন,  কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ, এসএএও প্রশিক্ষণ,  কৃষক প্রশিক্ষণ,  রিভিউ ওয়ার্কশপ, প্রদর্শনী, কৃষি মেলা, মোটিভেশনাল ট্যুর, পস্ন্যানিং একটিভিটি ওয়ার্কশপ, কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ, ব্যবহার ও সম্প্রসারণ।

বস্নু গোল্ড কর্মসূচীর আওতায় কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রযুক্তি হসত্মামত্মর প্রকল্প (ডিএই অংগ),

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

১৩৬৪.০০

(জানুয়ারী/১৩-ডিসেম্বর/১৮)

জনাব হুমায়ুন কবির,          ফোনঃ ৮৮-০২-৮১২১১৫২,

মোবাঃ ০১৭১৬৪৮১৫১৭

উদ্দেশ্যঃ ১) প্রকল্প এলাকায় কৃষি উৎপাদন বাড়ানো। কৃষি উৎপাদনের মাধ্যমে মাথাপিছু আয় বাড়বে ১০-১২ শতাংশ এবং ২০% জমি আধুনিক চাষাবাদের আওতায় আনা হবে।

 

৪টি জেলার ২৫টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ প্রদর্শনী, কৃষক মাঠ স্কুল, এফএফএস ফেসিলিটেঁটর প্রশিক্ষণ,  উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ, কর্মশালা, ট্যাগ এসএএও প্রশিক্ষণ, এফএফএস মনিটর প্রশিক্ষণ, এফএফএস  গ্রম্নপকে সাপোর্ট প্রদান।

খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প-২য় পর্যায়, ১ম সংশোধিত, 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৩৩৯৪৩.৯৬

(জুলাই/১৩-জুন/১৯), ২য় সংশোধিত

 

জনাব শেখ মোঃ নাজিম উদ্দিন,  ফোনঃ ৮৮-০২-৯১০২৮৪১,

মোবাঃ ০১৯১৩৩৮০৪৬০

উদ্দেশ্যঃ ১) পশুশক্তি ও মারাত্বক শ্রমিক সংকটের প্রেক্ষিতে কৃষক পর্যায়ে খামার যন্ত্রপাতি সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই করা; ২) খামার পর্যায়ে লাগসই কৃষি যন্ত্রপাতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ হ্রাস, শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি ও শস্য অপচয় কমিয়ে আনা; ৩) কৃষি যান্ত্রিকীকরণ সংশিস্নষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সক্ষমতা বৃদ্ধি।

 

সকল জেলার সকল উপজেলা

কার্যক্রমঃ কৃষক প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, কৃষি মেলা, যান্ত্রিক খামার প্রদর্শনী ৭০% ও ৫০% উন্নয়ন সহায়তা, সেবা প্রদানের জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ।

খামার পর্যায়ে উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তির মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প,

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৬৮৯৩.০০

(জুলাই/১৩-জুন/২০), ১ম সংশোধিত

 

জনাব মোঃ আলমগীর হোসেন  খান, ফোনঃ ৮৮-০২-৮১৪৪৩৮৬,

 মোবাঃ ০১৭১৫০২৭৪৯৫

উদ্দেশ্যঃ ১) মাঠ পর্যায়ে যথোপযুক্ত  পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেচের পানির অপচয় কমিয়ে সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি, সেচ এলাকা সম্প্রসারণ ও সেচ খরচ কমানো; ২) সেচ যন্ত্রপাতি ব্যবহারকারী, চালক বা মেরামতকারীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান।

৪৫টি জেলার ৯০টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ  এফএফএস গঠন, কৃষক প্রশিক্ষণ, এসএএও প্রশিক্ষণ, মেকানিক প্রশিক্ষণ, কারিগরি কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ, পানি ব্যবস্থাপনা প্রদর্শনী, মাঠ দিবস।

সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনা কম্পোনেন্ট, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান কর্মসূচি,

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

৩৫৭৯৯.১৩

(জুলাই/১৩-ডিসেম্বর/১৮), ১ম সংশোধিত

 

জনাব মৃত্যুঞ্জয় রায়,

ফোনঃ ৮৮-০২-৯১৩৯৫৯৬,

মোবাঃ ০১৭১৮২০৯১০৭

উদ্দেশ্যঃ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রামিত্মক কৃষক পরিবারের পুরম্নষ ও মহিলা সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি।

 

 

৬১টি জেলার ৩৭৩টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ  কৃষক মাঠ স্কুল স্থাপন, কৃষক সংগঠন গঠন,  কৃষক প্রশিক্ষণ, কৃষক প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ, ওরিয়েন্টেশন, জাতীয় পর্যায়ে সংলাপ, যৌথ মাঠ পরিদর্শন, কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণ মডিউল প্রস্ত্তত।

সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রকল্প, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৯৭২৮.০০

(জুলাই/১৪-জুন/২০), ১ম সংশোধিত

 

জনাব মহাম্মদ মাইদুর রহমান,

৮৮-০২-৯১৪০৫০৬,

মোবাঃ ০১৭১১০৫৩০৪৩

উদ্দেশ্যঃ ১) কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদনশীলতা এবং শস্যের নিবিড়তা ১৫-২০% বৃদ্ধি; ২) কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়ন এবং কৃষক গ্রুপ গঠন ও বিদ্যমান কৃষক দলের কার্যক্রম জোরদারকরণ ৩) বিদ্যমান শস্য বিন্যাসের মধ্যে উচ্চমূল্যের ফসল ও স্বল্প পানি চাহিদার শস্য আবাদের মাধ্যমে বহুমূখী শস্য আবাদ এলাকা বৃদ্ধি করা; ৪) বসতবাড়ি ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ফল-সবজি বাগান স্থাপন এবং সচেতনতামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে মহিলা, ছাত্র-ছাত্রী এবং জনসাধারণের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি করা; ৫) কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে চর, হাওর ও দারিদ্র প্রবণ এলাকায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

২৯টি জেলার ৮৮টি  উপজেলা

কার্যক্রম: ১৪ ক্যাটাগরির বিভিন্ন ফসলের প্রদর্শনী, কৃষক প্রশিক্ষণ, কৃষক দল গঠন, কৃষক গ্রম্নপের মধ্যে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিতরণ, জেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি মেলা, কৃষক, এসএএও, এবং কর্মকর্তাদের উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ।

 

সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প, ডিএই অঙ্গ,

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৫৫১৯.১০

(মার্চ/১৫-জুন/১৯)

 

জনাব ওহিদুজ্জামান, 

ফোনঃ ৮৮-০২-৯১০৪৫৭৪,

মোবাঃ ০১৭১১৩৭৮০৫০

উদ্দেশ্যঃ ১) টেকসই কৃষি প্রযুক্তি অভিযোজনের মাধ্যমে অনাবাদী কৃষি জমি কাজে লাগিয়ে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধি করা। 

 

৪টি জেলার ৩০টি উপজেলা

 

কার্যক্রমঃ  কৃষক প্রশিক্ষণ, সুফলভোগী কৃষক প্রশিক্ষণ, এসএএও প্রশিক্ষণ, কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ, মাঠ দিবস, প্রদর্শনী, উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ, কৃষি মেলা, কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ, এক্সপোজার ভিজিট, কর্মশালা ও লজিষ্টিক সাপোর্ট।

১০

বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

 

২৯৯২৩.০০

(জুলাই/১৫-জুন/২০)

১ম সংশোধিত

ড. মোঃ মেহেদি মাসুদ,

ফোনঃ ৮৮-২-৯১০১১৭৫,

মোবাঃ ০১৭১৬২৬০৬৯৫

উদ্দেশ্যঃ ১) দেশের ৩ টি পাহাড়ী জেলাসহ অন্যান্য জেলার অসমতল ও পাহাড়ী জমি এবং উপকুলীয় ও অন্যান্য অঞ্চলের অব্যবহৃত জমি ও বসতবাড়ীর চার পাশের জমিকে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের আওতায় এনে উদ্যান ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সমতল ভূমিতে অন্যান্য মাঠ ফসলের উৎপাদনের সুযোগ অক্ষুনণণ রাখা;  ২) দেশীয় এবং রপ্তানীযোগ্য ফসলের ক্লাষ্টার/ক্লাব ভিত্তিক উৎপাদন ৩) বিদ্যমান হর্টিকালচার সেন্টার সমুহের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন এবং প্রসত্মাবিত নতুন হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে মান সম্পন্ন চারা কলম উৎপাদন বৃদ্ধি; ৪) উদ্যান ফসলের প্রযুক্তি সম্প্রসারণ; ৫) নারীর ক্ষমতায়ন, আয় বৃদ্ধি এবং উদ্যান বিষয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন।

৪৫টি জেলার ৩৬২ টি উপজেলা ও ৬০টি উদ্যান উন্নয়ন কেন্দ্র

 

কার্যক্রমঃ  প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা সফর, প্রদর্শনী, যানবাহন ক্রয়, কৃষি যন্ত্রপাতি ও অফিস সরঞ্জাম ক্রয়, নির্মান ও পূর্ত, নগর বিক্রয় কেন্দ্র, ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ ফ্যাক্টরী নির্মাণ, হর্টিকালচার সেন্টারের লজিষ্টিক সাপোর্ট ও অবকাঠামো উন্নয়ন।

 

১১।

ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষক সেবা কেন্দ্র স্থাপন ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ (পাইলট) প্রকল্প

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৫০৭০.২১

(জুলাই/১৬-জুন/১৯), ১ম সংশোধিত

 

ড. একেএম শামীম আলম, ফোনঃ ৮৮-০২-৯১৩৭৮৭৩,

 মোবাঃ ০১৭১৭০৭০৭৩৬

উদ্দেশ্যঃ ১) সাফল্যজনকভাবে ফসল উৎপাদন ও কৃষকের দোড়গোড়ায় আধুনিক সম্প্রসারণ সেবা পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে এসএএওদের জন্য অফিস কাম রেসিডেন্স, ইনপুট স্টোরেজ এন্ড ট্রেনিং সেন্টার নির্মান; ২) অফিস চত্তরে মাতৃবাগান স্থাপন ৩. দুর্যোগপ্রবন এলাকায় দুর্যোগকালীন জরম্নরী আশ্রয় সুবিধা প্রদান।

২১টি জেলার ২৪টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ  সবুজ বেষ্টনী, যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, ভবন নির্মান, সোলার সিষ্টেম, সাইট ডেভেলপমেন্ট, অভ্যমত্মরীণ সড়ক ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ। 

১২।

কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল  ও মসলাবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরন প্রকল্প (৩য় পর্যায়), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

১৬৫২৫.৯০

(জুলাই/১৭-জুন/২২)

 

 

জনাব মোঃ খায়রুল আলম,

ফোনঃ ৮৮-০২-৯১১৬১৪৬,

মোবাঃ ০১৯১৫১৬১৭৮৪

উদ্দেশ্যঃ ১) ইউনিয়ন ভিত্তিক ‘‘বীজ এসএমই’’ স্থাপনের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নত বীজ নিশ্চিতকরণ; ২)। উন্নত বীজ ব্যবস্থাপনা ও অধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে ডাল, তেল ও মসলা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি; ৩) ডাল, তেল ও মসলা আমদানী হ্রাসের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়; ৪) মৌ চাষের মাধ্যমে ফসলের ফলন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্ঠি করা; ৫) সুষম মাত্রায় ডাল, তেল ও মসলা সরবরাহ করে মানব স্বাস্থ্যের পুষ্টি নিশ্চিত করা; ৬) উন্নত মানের বীজ ব্যবস্থাপনার ও মৌ  চাষে মহিলাদের অংশগ্রহণে গ্রামীণ দারিদ্য্র হ্রাস  এবং ৭) শস্য বিন্যসে ডাল, তেল ও মসলা ফসল অর্ন্তভূক্ত করে পানি সাশ্রয় ও মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা।

সকল জেলার সকল উপজেলা

কার্যক্রমঃ  বীজ এসএমই গঠন, কর্মশালা, বীজ উৎপাদন পস্নট, বীজ প্রত্যয়ন, মাঠ দিবস, ওজন মেশিন, সেলাই মেশিন, ময়েশ্চার মিটার, বীজ সংরক্ষণ পাত্র, আধুনিক বীজ চালুনী, মৌ-বাক্স ও এক্সট্রাকটর, কৃষক প্রশিক্ষণ, এসএএও প্রশিক্ষণ, অফিসার প্রশিক্ষণ-, উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ ও কৃষক পুরস্কার। 

১৩।

সৌরশক্তি ও পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাইলট প্রকল্প

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৬৫৭০.৩৬

(জুলাই/১৭-জুন/২২)

 

জনাব মোঃ আব্দুল আজিজ সরকার

মোবাঃ ০১৭২২২৮০২৭৭

উদ্দেশ্যঃ  ১)  সেচ কাজে সৌবশক্তি ব্যবহার করে জ্বালানী তেল/বিদ্যুৎ সাশ্রয় ৯৫-১০০%; ২)  আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেচ দক্ষতা উন্নয়ন; ৩) ভু-উপরিস্থ পানির ন্যূনতম ব্যবহারের মাধ্যমে সেচ পানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করা; ৪) ভহ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে উৎসাহিত করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা এবং সেচ খরচ কমানো;  ৫) আধুনিক খামার ব্যবস্থপনা ও পানি ব্যবহার সম্পর্কে কৃষকদের জ্ঞান বৃদ্ধি এবং সচেতন করে তোলা; ৬) সমন্বিত সেচ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন। 

৪১টি জেলার ১০০টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ সোলার সেচ প্রদর্শনী; বারিড পাইপ সেচ প্রদর্শনী;  ড্রিপ সেচ প্রদর্শনী; পাতকুয়া খনন; কৃষক মাঠ স্কুল; কৃষক প্রশিক্ষণ; মেকানিক প্রশিক্ষণ; কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ; উদ্দুদ্ধকরণ ভ্রমন; মাঠ দিবস ও লজিষ্টিক সাপোর্ট প্রদান।

১৪।

উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হসত্মামত্মরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ (৩য় পর্যায়)

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

৩১৪২৯.০০

(জানুয়ারী/১৮-জুন/২২)

 

জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম পাটোয়ারী ফোনঃ ৮৮-০২- ৯১৩২৮১৪,

মোবাঃ ০১৫৫৩৭৪৯১৭৮

উদ্দেশ্যঃ১) প্রাতিষ্ঠানিক কৃষক প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন; ২) ১০৬টি উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মান ও ২০টি ইউনিয়ন কৃষক সেবা কেন্দ্র নির্মণ; ৩) আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কৃষকদের পরিকল্পিত, বাস্তবধর্মী ও হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গির উন্নয়ন; ৪) সম্প্রসারণ কর্মীদের কারিগরী দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষি গবেষণা লব্ধ ফলাফল ও মাঠ পর্যায়ের ফলাফলের মধ্যে ফলন পার্থক্য কমানো।

 

 

৪৮টি জেলার ১২৩টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, ইউনিয়ন কৃষক সেবা কেন্দ্র নির্মাণ; কৃষক প্রশিক্ষণ, কর্মশালা; ব্লক প্রদশর্নী ও মাঠ দিবস; কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ; এসএএও প্রশিক্ষণ ও লজিষ্টিক সাপোর্ট প্রদান।  

১৫।

ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্প (ডিএই অংগ)

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

 

২৬৬৫.৫৭

(জুলাই/১৭-জুন/২২)

 

জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম পাটওয়ারী, (উপপ্রকল্প পরিচালক),

ফোনঃ

 মোবাঃ ০১৭১২৭১৮৮০৭

উদ্দেশ্যঃ ১) প্রকল্প এলাকায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ভাসমান কৃষি প্রযুক্তির বিসত্মার ঘটানো; ২)  বারি কর্তৃক উদ্ভাবিত ভাসমান কৃষির উন্নত ও লাগসই প্রযুক্তিরসমূহের বিস্তার ঘটানো এবং কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয় করা; ৩)  ভাসমান কৃষির মাধ্যমে বারি/অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উদ্ধাবিত সবজি ও মসলা ফসলের আধুনিক জাতের বিসত্মার ঘটানো; ৪)  জলমগ্ন অবস্থায় ফসল উৎপাদনের নিবিড়তা বৃদ্ধির ও বহুমূখীকরণ এবং ভাসমান পদ্ধতিতে শাকসবজি ও মসলা চাষে ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎসাহিত করা; ৫)  মহিলাদের ক্ষতায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সঞ্চালিত করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে কৃষি কর্মকান্ডে নিয়োজিত করা; ৬)  চাষকৃত জমির অপ্রতুলতা রয়েছে এমন স্থানে জণমগ্ন জমিতে ফসল উৎপাদেনের মাধ্যমে হিসেবে কচুরিপানার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিৎ করা।

২৪টি জেলার ৪৬টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ কৃষক প্রশিক্ষণ, এসএএও প্রশিক্ষণ, কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ, জাতীয় কর্মশালা, জাতীয় সেমিনার, মসলা ফসলের প্রদর্শনী, লতা জাতীয় সবজির প্রদর্শনী, লতাবিহীন সবজির প্রদর্শনী,’ মাঠ দিবস, কৃষদের উদ্ধুদ্ধকরণ ভ্রমণ, বীজের পাত্র, পানির ঝাঝরি, ফোরোমোন ফাঁদ, কালেকটিং বাস্কেট।  

১৬।

বাংরাদেশ শাক-সবজি, ফল ও পান ফসলের পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশক ভিাত্তক প্রযুক্তি উদ্বাবন ও সম্প্রসারণ (ডিএই অংগ)

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

 

৯০৪.০০

(জানুয়ারী/১৮-ডিসেম্বর/২১)

 

জনাব মোঃ রেজাউল ইসলাম, উপপরিচালক(আইপিএম),  ফোনঃ ৮৮-০২-ঃ৯১৩৩৬২৩,

মোবাঃ ০১৭১১৪৮৮১৭৬

উদ্দেশ্যঃ১) নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য শাক-সবজি, ফল ও পান ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও রোগবালাই দমনে বারি কর্তৃক উদ্ভাবিত জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক ব্যবস্থপনা সমূহ সম্প্রসারন করা; ২) বারি কর্তৃক উদ্ভাবিত কার্যকরী প্রযুক্তিসমূহের সম্প্রসারণের জন্য ব্লক প্রদর্শনীর ব্যবস্থাকরণ; ৩) উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহের উপর কৃষক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা; ৪) রাসায়নিক বালাইনাশকের বিকল্প হিসাবে উদ্ভাবিত জৈব বালাইনাশকসমূহকে মাঠ পর্যায়ে সহজলভ্য করা; ৫) শাক-সবজি, ফল ও পান ফসলের গুনগতমান ও উৎপাদন বাড়ানো ও বর্হিবিশ্বে রপ্তানি বৃুদ্ধির সুয়োগ সৃষ্টি করা।

১৪টি জেলার ২১টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ সেক্স ফেরোমন ট্রাপ;  কুমড়াজাতীয় ফসলের জন্য আকর্ষণ ও মেরে ফেলা পদ্ধতির ট্রাফ;  ফলের জন্য আকর্ষণ ও মেরে ফেলা পদ্ধতির ট্রাপ; সেক্স ফেরোমন লিউর; জৈব বালাইনাশক; অনুবীজসহ সয়েল রিচার্জ, জৈবিক দমন পদ্ধতির এজেন্ট-থোক;  বীজ, বালাইনাশক, রাসায়নিক ও জৈবসার; বস্নক প্রদর্শনী, প্রশিক্ষণ; মাঠ দিবস।

১৭।

কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্প

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

 

১১৯১৮.০৮

(জুলাই/১৬-জুন/২১)

 

ড. মঝহারুল আজিজ,

ফোনঃ

মোবাঃ ০১৭১২১১৯২৫৯

উদ্দেশ্যঃ ১) কৃষকগণের নিকট কৃষি আবহাওয়া সংক্রামত্ম তথ্যাদি পৌঁছে দেওয়া, আবহাওয়া এবং জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাবসমূহের সাথে কৃষকগণের খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা;  ২) কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি প্রচলন করা এবং যথোপযুক্ত তথ্য এবং উপাত্ত প্রণয়ন করা; ৩) কৃষি ক্ষেত্রে আবহাওয়া সংক্রামত্ম ঝুঁকি সম্পর্কিত তথ্যাদি কৃষকগণের নিকট পৌঁছে দেয়া; (ঘ) কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণের মাধ্যমে ডিএই’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

সকল জেলার সকল উপজেলা

কার্যক্রম ঃ এগ্রো-মেট্রোলজিকেল ডাটাবেইস প্রস্ত্ততকরণ, একটি কমপ্রিহেন্সিভ ওয়েবসাইট সেট করা, এগ্রো-মেট্রোলজিকেল পরামর্শ সেবা প্রদান, ৬৪ জেলায় ৪৮৭টি উপজেলার আবহাওয়া ও জলবায়ু সেবা সংক্রামত্ম কৃষকের চাহিদা নিরম্নপন, ৪০৫১টি ইউনিয়ন স্বয়ংক্রিয় রেইন গেজ ও  এগ্রো-মেট্রোলজিকেল ডিসপেস্ন বোর্ড স্থাপন, ৪৮৭টি উপজেলায় এগ্রো-মেট্রোলজিকেল কিওস্ক স্থাপন।

১৮।

নিরাপদ উদ্ভিদতাত্ত্বিক ফসল উৎপাদন ও সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প,

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

২৩৬০.৯৯

(জুলাই/১৮-জুন/২০)

ড. মোঃ সাহিনুর ইসলাম

মোবাইলঃ০১৭১১৭৩৭৩৩৫

উদ্দেশ্যঃ ১) নিরাপদ উদ্যান ফসল উৎপাদন, সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা ও মূল্য সংডযাজন দক্ষতা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধি তথা দরিদ্র বিমোচন, মহিলাদের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন ইত্যাদি ।

২৭টি জেলার 

৫২টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ ১) কৃষক প্রশিক্ষণ-(২৯০০ ব্যাচ) ৭২৫০০ জন; ২) প্রদর্শনী- ৫৬৭৭ টি; ৩) মাঠ দিবস-৫০০ টি ;৪) কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ-(৮৬ ব্যাচ) ২১৫০ জন ।
১৯। নগর কৃষি উৎপাদন সহায়ক (পাইলট) প্রকল্প

৯৩০.১৮

জুলাই/১৮-জুন/২১)

জনাব মোঃ তাহেরুল ইসলাম

মোবাইলঃ০১৭১২৬৮৫৩৭৭

উদ্দেশ্যঃ বিদ্যমান বাড়ির ছাদ, স্কুল, কলেজ, প্রাঙ্গনের অনাবাদি জায়গা এবং সহজলভ্য অন্যান্য সম্পদের সদ্বব্যবহারের মাধ্যমে নগর কৃষির উন্নয়ন, পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং সবুজায়ন, সর্বপরি নগর পরিবেশের টেকশই উন্নয়ন ।

 ১ টি জেলার

উপজেলা ১টি ও ৬টি মেট্রো

কার্যক্রমঃ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ-৩০০ জন;  এসএএও প্রশিক্ষণ-৯০০ জন, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ-৬০০ জন ; কৃষক/মালী প্রশিক্ষণ-৬০০ জন; বিদেশ শিক্ষা সফর-১০ জন; প্রদর্শনী ছাদে বাগান-৬০০ টি, প্রদর্শনী স্কুল প্রাঙ্গনে বাগান-৬০টি, প্রদর্শনী কম্পোষ্ট-৬০০টি; সেচ অবকাঠামো (রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং)-৫০টি।
২০। বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প

৪৭৯৮.৭৩

জুলাই/১৮-জুন/২০২৩)

জনাব মোঃ রুহুল কবির

মোবাইলঃ০১৭১২৫০৫৯৪৫

 

উদ্দেশ্যঃ আধুসিক ও টেকসই প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে শস্য নিবিড়তা ৫% বৃদ্ধি । সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন ১০% বৃদ্ধি, কার্যকরী সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের মাধ্যমে ২৩৪৬১০ মানব সম্পদের ঞ্গান ও দক্ষতা ৩১টিবৃদ্ধি, সকল শ্রেণীর কৃষক পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থার উন্নয়ন, সম্প্রসারণ পদ্ধতির সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রকল্প কার্যক্রমে ৩০% মহিলা সম্পৃক্তকরণ ।

 ৬টি জেলার

৩১টি উপজেলা 

কার্যক্রমঃ ১) কৃষক প্রশিক্ষণ-৯৩০ ব্যাচ; ২) এসএএও প্রশিক্ষণ-২০ ব্যাচ; ৩) মাঠ দিবস-১০০০ টি ;৪) কর্মকর্তা  প্রশিক্ষণ-১০ ব্যাচ; ৫) বৈদেশিক শিক্ষা সফর-২৫ জন; ৬) উদ্ধুদ্ধকরণ ভ্রমণ-৩১টি; কৃষি মেলা-৬২; আঞলিক কর্মশালা-৫টি; প্রদর্শনী-১৩১১০টি; কৃষক প্রশিক্ষণ-৯৩০ট ব্যাচ; ডিএই’র আঞলিক অফিস ভবন নির্মাণ-৯০০০ বর্গফুট ।
২১। গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষিরা ও পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প

৬৩৪০.৭৯

জুলাই/১৮-জুন/২০২৩)

 

জনাব আলমগীর বিশ্বাস

মোবাইলঃ০১৭১০৯৬৪৬৯৬

উদ্দেশ্যঃ ১)  ১৯০% থেকে ৫-৮% শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রকল্প এলাকার কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা; ২) উপযুক্ত শস্যজাত, মানবসম্পদ বীজ, যথাযথ মাটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, জৈব সারও জৈবিক বালাই ব্যবস্থাপনা, কৃষি তাত্বিক পরিচযা ও সেচ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের গড় ফলন পার্থক্য ৫% হ্রাস করা; ৩) মাঠ পযায়ে কাযকরী সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ৩৩৯০ মানব সম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা ও বসতবাড়ির খালি জমিতে উদ্যান ফসলের আবাদের মাধ্যমে সকল শ্রেণীর কৃষক পরিবারের পুষ্টিমান উন্নয়ন , ৪) আয়বর্ধক কাযক্রমে ৩০% থেকে নূন্যতম ৫% মহিলাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাথ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা ।

৫টি জেলার ৩৯টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ ১) কৃষক প্রশিক্ষণ-৯৭৫ ব্যাচ; ২) এসএএও প্রশিক্ষণ-৫০ ব্যাচ; ৩) মাঠ দিবস-২০২৮টি ;৪) কর্মকর্তা  প্রশিক্ষণ-১৫ ব্যাচ; ৫) বৈদেশিক শিক্ষা সফর-২৫ জন; ৬) উদ্ধুদ্ধকরণ ভ্রমণ-৭৮টি; কৃষি মেলা-১৯৫;  বিভিন্ন প্রদর্শনী-২৭৮৮৫টি; কৃষক প্রশিক্ষণ-৯৩০ট ব্যাচ; ডিএই’র আঞলিক খুলনা অফিস ভবন নির্মাণ-৯০০০ বর্গফুট; সেচ অবকাঠামো নির্মাণ ৭৮টি, কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ-১১০২টি।
২২। পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্প,  (অক্টোবর/১৮-জুন ২০২৩),  (অক্টোবর/১৮-জুন ২০২৩) জনাব আহসানুল হক চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক,  ফোনঃ ৯১১৫২৬৪, ০১৭৭৭৫১৭৪৪ উদ্দেশ্যঃ ১) নিরাপদ ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা , ২) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকের কারিগরি দক্ষতা এবং নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি করে কৃষক, শ্রমিক ও ভোক্তার শারীরিক-মানষিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা,  ৩) খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রদর্শনী স্থাপনের মাধ্যমে প্রমানিত আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করা, ৪) প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রমে মহিলাদের সম্প্রক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ ও গুনগত মানসম্পন্ন ফসল উৎপাদনে সচেতনতা বৃদ্দি এবং আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা, ৫) সর্বোপরি টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরা। 

জেলার 

টি উপজেলা

কার্যক্রম ঃ জৈব কৃষি ও জৈবিক বালাই ব্যবস্থাপনা প্রদর্শনী-৩৫৫৬০টি, আইপিএম মডেল ইউনিয়ন স্থাপন-২০টি, স্কুল আইপিএম-৩১৭টি, কৃষক মাঠ স্কুল-{(ধান, সবজি ও ফল)-ধান-১২৬৮টি, ভুট্টা-৩১৭টি, সবজি-৬৩৪০টি, ফল-৪৬৬টি}, ওরিয়েন্টেশন কোর্স (বিভাগীয় কর্মকর্তা)-২২ ব্যাচ (৬৬০জন), রিফ্রেসার্স কোর্স (এফটি)-১২ব্যাাচ (৩৬০ জন), টিওটি (বিভাগীয় প্রশিক্ষক)-৫ ব্যাচ (৪০০জন), টিওটি (কৃষক প্রশিক্ষক)--২১ ব্যাচ (৬৩০জন), ক্র্যাস কোর্স ফর ট্যাগ এসএএও-২১ ব্যাচ (৬৩০জন), আইপিএম ক্লাব সহায়তা-১৫৮৫টি।  
২৩। বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠী, বরগুনা, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প   (জুলাই/১৮-জুন ২০২৩), অনুমোদিত, জিওবি  জনাব জাহিদুল আলম, প্রকল্প পরিচালক, ফোনঃ ০১৭১২১৫৯৩৩৬ উদ্দেশ্যঃ ১) পতিত জমি চাষের আওতায় আনা এবং একক ও বহুবিদ ফসলের আবাদ বৃদ্ধির মাধ্যমে শস্যের নিবিড়তা ৫% বৃদ্ধিকরণ, ২) আধুনিক ও এলাকা উপযোগী প্রযুক্তির মাধ্যমে ফলনের তারতম্য কুমিয়ে এবং কৃষি সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৩% ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ, ৩) পরিবর্তিত জলবায়ুর সাথে অভিযোজনের মাধ্যমে সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত প্রযুক্তি এবং এলাকা উপযোগী ফসল ও জাত সম্প্রসারণ। 

জেলার 

টি উপজেলা

কার্যক্রম ঃ দক্ষতা উন্নয়নের জন্য ১৬৭২ ব্যাচ কৃষক, ৫০ ব্যাচ এসএএও, ১২ ব্যাচ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ, ৫ ব্যাচ প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈদেশিক শিক্ষা সফর, প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য ৫০১১০ টি প্রদর্শনী স্থাপন, প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ৫০১১ টি মাঠ দিবস আয়োজন, প্রযুক্তি সম্প্রসারণের কৌশল হিসাবে ৯০ টি কৃষি মেলা এবং ৭টি কর্মশালা আয়োজন, ৩১০ রানিং মিটার সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও ২টি আবাসিক ভবন সংস্কার।  
২৪। ”নোয়াখালী, ফেনী, ল²ীপুর, চট্টগ্রাম ও চাঁদপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প   (জুলাই/১৮-জুন ২০২৩), অনুমোদিত, জিওবি জনাব মোঃ লুৎফর রহমান, প্রকল্প পরিচালক, ফোনঃ ০১৭৮৬৫৪৪৪৭০ উদ্দেশ্যঃ ১) খামারের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গবেষনা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রমানিত প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, ২) পতিত জমি চাষের আওতায় আনা এবং একক ও বহুবিধ ফসলের আবাদ বৃদ্ধির মাধ্যমে শস্যে নিবিড়তা ৫%-১০% বৃদ্ধি করণের মাধ্যমে প্রকল্প এলাকায় কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা, ৩) মাঠ পর্যায়ে কার্যকরী সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের জন্য কৃষি কর্মী ও কৃষকের দক্ষতা বৃদ্দি করা, ৪) কৃষি উৎপাদন কার্যক্রমে মহিলাদের ৩০% থেকে ৩৫% সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। 

জেলার 

টি উপজেলা

কার্যক্রম ঃ বিভিন্ন ফসলের প্রদর্শনী-৩১৯৪০টি, কম্পোষ্ট ও ভার্মি কম্পোষ্ট প্রদর্শনী-৪২০০টি, প্যাকেজ প্রদর্শনী (তাল, খেজুর ও সজিনার চারা)-৫০,০০০টি, মাঠ দিবস-১০৫০টি, কর্মকর্তা, এসএএও ও কৃষক প্রশিক্ষণ-১০১৪ ব্যাচ, আঞ্চলিক কর্মশালা-৫টি, উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ-৪২টি, কৃষি মেলা-৮৪টি, ডাবল কেবিন পিক-আপ-৩টি, প্রিন্টার ও স্কানারসহ কম্পিউটার-৭টি, ল্যাপটপ-২টি, ফটোকপিয়ার-৩টি, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর-২টি, এয়ার কন্ডিশনার-৩টি, অফিস আসবাবপত্র। 
২৫। ”রংপুর বিভাগ কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প”  (জুলাই/১৮-জুন ২০২৩), অনুমোদিত, জিওবি  ড. মুহাম্মদ অজিউল্যা, প্রকল্প পরিচালক, ফোনঃ ০১৭৩৮৪৮৫২৫৭ উদ্দেশ্যঃ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য  হলো রংপুর বিভাগে দারিদ্র বিমোচন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণ। 

জেলার 

টি উপজেলা

কার্যক্রমঃ কৃষক গ্রæপ ফরমেশন-৩০০টি, মাঠ প্রদর্শনী-১৫০০০টি, কৃষি মেলা-৪০টি, কৃষক প্রশিক্ষণ-৩০০০ব্যাচ, এসএএও প্রশিক্ষণ-৫০ ব্যাচ, মটিভেশনাল ট্যুর-৬৫ ব্যাচ, ফলজ বৃক্ষ রোপণ ৫০০০০০টি, ,হ্যান্ড স্প্রেয়ার-৫০০টি, পাওয়ার স্প্রেয়ার-৫০০টি, ফুট পাম্প-৫০০টি, উইযার-৫০০টি, ট্রান্সপ্লান্টার-৪০০টি, রিপার-৫০০টি, পাওয়ার থ্রেসার-২১২০টি, উইনোয়ার-৬০টি, গ্রেইন ময়েশ্চার মিটার-১২০টি। 
২৬। ”স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি)”  (জুলাই/১৮-জুন ২০২৪), অনুমোদিত, জিওবি  জনাব মোঃ আইউব আলী, প্রকল্প পরিচালক, ফোনঃ ০১৭১১১৮৮১০৪ জলবায়ুর পরিবর্তণশীল পরিস্থিতিতে চাহিদাভিত্তিক ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শস্যের বহুুমূখীকরণ ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন। 

জেলার 

টি উপজেলা

 গ্রæপে প্রদর্শনী স্থাপন-১৩০০০টি, কৃষক, সম্প্রসারণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন-১০৮১০ ব্যাচ, খামার যন্ত্রপাতি বিতরণ-৫৭০ সেট, কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার নির্মাণ-৫৭০টি। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য  হলো রংপুর বিভাগে দারিদ্র বিমোচন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণ। 
২৭। ”কৃষি প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটসমূহের কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প”  (জুলাই/১৮-জুন ২০২১), অনুমোদিত, জিওবি  জনাব মোঃ বেনজীর আলম, প্রকল্প পরিচালক, ফোনঃ ০১৭১১২০৫১৫০ উদ্দেশ্যঃ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটসমূহের কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং অবকাঠামো ও সুবিধাদি উন্নয়নের মাধ্যমে কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা সম্পন্ন কৃষি ডিপ্লোমাধারী এবং অন্যান্য প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা।    কার্যক্রমঃ ১) ছাত্রী হোস্টেল ও অধ্যক্ষের বাসভবনসহ ১৬টি এটিআই এর প্রাচীর নির্মাণ, ২) একাজেমিক ভবন, আবাসন ও হোস্টেলের মেরামত ও সংরক্ষণ, ৩) অভ্যন্তরিণ রাস্তা, মেইন গেট, নামাজ ঘর, শহিদ মিনার, একটি ছাত্র হেেেস্টল ও দুটি বিদ্যুৎ সাব স্টেশন নির্মাণ, ৪) ভ‚মি ও খামার উন্নয়ন,কৃষি যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র সরবরাহ, ৫) কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মাল্পিমিডিয়া ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী সরবরাহসহ আইসিটি সুবিধাদি উন্নয়ন, ৬) বিশেষায়িত ট্রেডকোর্স, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও মিক্ষা সফরের আয়োজন করা।  

 



Share with :

Facebook Facebook